ঢাকাThursday , 4 April 2019
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

৮ চেয়ারম্যানের সংবাদ সম্মেলন: কলারোয়ায় নৌকার কর্মীদের উপর হামলার অভিযোগ

admin
April 4, 2019 8:34 pm
Link Copied!

ডেস্ক রিপোর্ট: কলারোয়া উপজেলা নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবার পর থেকে প্রতিনিয়ত হামলার ঘটনা ঘটছে। আর এই হামলার শিকার হচ্ছে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী, মুক্তিযোদ্ধা, হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ, নৌকা প্রতীকের এজেন্ট ও আওয়ামী লীগ কার্যালয়।
বৃহস্পতিবার বিকালে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে কলারোয়া উপজেলার আটটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এই অভিযোগ করেছেন। তাদের সাথে বুধবার রাতে প্রহৃত হওয়া জালালাবাদ ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদও উপস্থিত ছিলেন।
লিখিত বক্তব্যে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ জানান, গত ২৪ মার্চ অনুষ্ঠিত উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী হিসাবে আমরা নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ফিরোজ আহমেদ স্বপনের পক্ষে কাজ করেছিলাম। এ নির্বাচনে তিনি হেরে যান। আর জয়ী হন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক স্বতন্ত্র প্রার্থী আনারস প্রতীকের আমিনুল ইসলাম লাল্টু।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ২০১৩-২০১৪ সালের সহিংসতা ও নাশকতা সৃষ্টিকারীরা একজোট হয়ে আমিনুল ইসলাম লাল্টুকে জয়ী করে। এর ফলে নির্বাচনের পর থেকে কলারোয়ায় নৌকার সমর্থকদের ওপর একের পর এক হামলা হয়ে আসছে। বর্তমানে এ উপজেলা একটি বিভীষিকাময় আতংকের জনপদে পরিণত হয়েছে। এখানে আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, মেম্বর, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষ নাশকতা মামলার আসামি ও হাইব্রিড আওয়ামী লীগারদের হাতে নিরাপদ নন। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, কলারোয়া একটি জামায়াত ও বিএনপি অধ্যুষিত এলাকা।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ৩ এপ্রিল রাতে ৩০ থেকে ৪০ জন জালালাবাদ ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত চেয়ারমান আবুল কালামের বাড়িতে ঢুকে হামলা করে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। তিনি সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ ছাড়া ২৪ মার্চ রাতে সাবেক উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আবদুল গফফারের বাড়িতে হামলা করে সন্ত্রাসীরা। তারা মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি সৌধ ভাঙচুর এবং তার পরিবারের সদস্যদের মারধর করে আহত করে। তারা এখনও কলারোয়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
সংবাদ সম্মেলনে তারা আরও বলেন, এসব হামলার কারণে ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রতিনিধি হিসাবে আমাদের স্বাভাবিক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। আমরা সাধারণ মানুষের জানমাল রক্ষা করতে ব্যর্থ হচ্ছি। এ ব্যাপারে তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কলারোয়া উপজেলার কেঁড়াগাছি ইউপি চেয়ারম্যান হাবিল হোসেন, দেয়াড়া ইউপি চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান, লাঙ্গলঝাড়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. নুরুল ইসলাম, কয়লা ইউপি চেয়ারম্যান শেখ ইমরান, কুশোডাঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান শেখ আসলামুল আলম, চন্দনপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো. মনিরুল ইসলাম ও সোনাবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. মনিরুল ইসলাম।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।