ঢাকাThursday , 4 April 2019
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

কুলিয়ায় স্থাপনা ভাঙচুরের ঘটনায় আসাদুল হকের সংবাদ সম্মেলন

admin
April 4, 2019 9:33 pm
Link Copied!

পারুলিয়া (দেবহাটা) প্রতিনিধি: দেবহাটার কুলিয়াতে দীর্ঘদিনের ডিসিআরকৃত ভোগদখলীয় সম্পত্তির স্থাপনা অবৈধভাবে ভাঙচুরের ঘটনার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ আসাদুল হক।
বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) বেলা ১১টায় কুলিয়াস্থ নিজস্ব বাগান বাড়িতে এই সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, দেবহাটার কুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ সংলঘœ কুলিয়া মৌজার ২নং খতিয়ানের ৫৭৫, ৫৭৬ ও ৫৭৭ দাগের ১৫শ বর্গফুট জমি জেলা পরিষদের নিকট থেকে নিয়ম মোতাবেক ডিসিআর নিয়ে আমার স্ত্রী মেহেরুন নেছা বিগত ১৩-১৪ বছর যাবৎ ভোগদখল করে আসছে। ইজারা গ্রহণের প্রথম দিকে জমিটি কৃষি শ্রেণির থাকলেও পরবর্তীতে আমার স্ত্রী মেহেরুন নেছার নামে ওই সম্পত্তিটি বাণিজ্যিক ভিত্তিতে ইজারা দেয় জেলা পরিষদ। যার ইজারা কেস নং সাত:/জেপ:/দেবহাটা/৬৫ (অংশ-১)/২০১১-১২। প্রতিবছর আমার স্ত্রী সরকারি নিয়ম মোতাবেক ইজারার টাকা পরিশোধ করে। বর্তমনে ইজারাকৃত জমিটি বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহারের জন্য সেখানে দোকান ঘর নির্মাণ করছে। পাশাপাশি চলতি বছরের জন্য সম্পত্তিটির ইজারার নবায়ন চেয়ে আমার স্ত্রী মেহেরুন নেছা জেলা পরিষদে লিখিত আবেদন জানালে আবেদনটি জেলা পরিষদের আগামী ১১ এপ্রিলের সভায় নিষ্পত্তি হওয়ার কথা উল্লেখ করে জেলা পরিষদের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য অ্যাড. শাহানাজ পারভীন মিলিকে তদন্ত পূর্বক প্রতিবেদন দিতে বলা হয়। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ওই সম্পত্তিটির ইজারা নবায়ন করতে আমার স্ত্রী মেহেরুন নেছা ও আমার কাছে তিন লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে জেলা পরিষদ সদস্য মিলির স্বামী কুলিয়ার আব্দুল হান্নানের ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান।
লিখিত বক্তব্যে আসাদুল হক আরো বলেন, আমি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান থাকাকালীন একাধিকবার মোস্তাফিজুর রহমানকে মাদকসহ হাতেনাতে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করায় পূর্ব থেকেই সে ও তার স্ত্রী জেলা পরিষদ সদস্য মিলি আমার ওপর ক্ষিপ্ত মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ হিসেবেই তিন লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলো। কিন্তু আমি ও আমার স্ত্রী মেহেরুন নেছা তাদের দাবিকৃত চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে মঙ্গলবার সম্পূর্ণ বে-আইনীভাবে পূর্বের কোন নোটিশ ছাড়াই জেলা পরিষদ সদস্য মিলি ও তার স্বামী মোস্তাফিজ লোকজন নিয়ে আমার স্ত্রীর ডিসিআরকৃত জমিটির নির্মাণাধীন স্থাপনা ভাঙচুর করে। এ সময় তাদের কাছে স্থাপনা ভাঙচুরের কারণ জানতে চাইলে তারা তাদের দাবিকৃত তিন লক্ষ টাকা চাঁদার কথা উল্লেখসহ আমাকে খুন-জখমের হুমকি দিতে থাকে। শুধু তাই নয় অদ্যাবধি জেলা পরিষদ সদস্য শাহানাজ পারভীন মিলি ও তার স্বামী মোস্তাফিজ লোকজন দিয়ে ফেসবুকসহ বিভিন্ন ভাবে আমি ও আমার পরিবারের সদস্যদের হত্যার হুমকি দিয়ে যাচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদসহ অবৈধভাবে ডিসিআরকৃত সম্পত্তির স্থাপনা ভাঙচুরের বিষয়টি তদন্ত পরবর্তী দোষীদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।