ঢাকাWednesday , 20 March 2019
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

পৈত্রিক সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল ও মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে হয়রানির হুমকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

admin
March 20, 2019 9:26 pm
Link Copied!

ডেস্ক রিপোর্ট: সাতক্ষীরার মাছখোলায় পৈত্রিক সম্পত্তি জোরপূর্বক ভোগ দখল ও মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে হয়রানির হুমকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে শহরের পুরাতন সাতক্ষীরার ফরমান আলীর স্ত্রী হাসিনা খাতুন এই সংবাদ সম্মেলন করেন ।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আমার নানা মৃত আহম্মদ কারিকর ও তার ভাই মৃত আপ্তাব কারিকর ওরফে পুটে কাকিরের মাছখোলা মৌজায় তিনটি দাগে যথাক্রমে ১৬৪ খতিয়ানে ৮৫ শতক, ১৫১ খতিয়ানে ৮৩ শতক ও ১৪৫ খতিয়ানে ৪২ শতক সম্পত্তি রয়েছে।
আমার নানা আহম্মদ কারিকরের একমাত্র মেয়ে আমার মাতা আছিরন বিবি। অন্যদিকে, আমার অন্য নানা আপ্তাব কাকিকরের দুই সন্তান জেলেখা ও করিম গুমা (বাকপ্রতিবন্ধী)। খালা জেলেখার দুই সন্তান যথাক্রমে হায়দার ও ফজিলা।
এদিকে, আমার মার ৭ ছেলে-মেয়ে। বড়ভাই মৃত ছলেমান, মেঝ ভাই নুরুল, ছোট ভাই আজহারুল, বড় বোন ছকিনা, মেঝ বোন হাসিনা (আমি), সেঝ বোন সায়রা ও ছোট বোন আলেয়া।
সে অনুযায়ী ওই সম্পত্তির অর্ধেক অংশের ওয়ারেশ মালিক আমরা। বাকী অর্ধেকের মালিক হায়দার ও ফজিলা। কিন্তু আমার মা একা এবং মহিলা হওয়ার কারণে চিহ্নিত ভুমিদস্যু, পর সম্পদ লোভী মাখখোলা এলাতার শিবতলা গ্রামের বাবুর আলী সরদারের ছেলে জেহের আলী, নুর আলী, কওসার, আবুল কাশেম, মুজিদ, হাবিবর, রফিকুলের স্ত্রী সালেহা, বাবুল সরদারের স্ত্রী ফিরোজা এবং মৃত মাদার আলীর ছেলে আব্দুর রহিম, আব্দুল আলিম, নাইম হোসেন, ছাবিনা ইয়াছমিন, জেসসিন আক্তার ও খাদিজা বেগম ভূমি অফিসের কতিপয় কর্মকর্তাকে মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে ম্যানেজ করে আহম্মদ ও পুটে কারিকরের ওয়ারেশদের বাদ দিয়ে নিঃস্বত্ব দেখিয়ে ভোগ দখল করে আসছে। তাদের সম্পত্তির পাশে এই সম্পত্তি হওয়ায় সহজে তারা অবৈধভাবে ভোগ দখল করে যাচ্ছে। এ ঘটনায় ২০১৩ সালে সাতক্ষীরা সহকারী জজ আদালতে আমার বড় বোন বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় তারা আদালতে তারা হাজির হয়ে আহম্মদ ও আপ্তাব কারিকরের সম্পত্তি ভোগ দখলের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, তাদের কোন ওয়ারেশ নেই। অথচ ব্রহ্মরাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান স্বাক্ষরিত ওয়ারেশ কায়েম সনদ পত্রে আহম্মদ আলীর একমাত্র ওয়ারেশ হিসেবে আমার মায়ের নাম আছে। এছাড়া আপ্তাব কারিকরের ওয়ারেশদেরও ওয়ারেশ কায়েম সনদ রয়েছে। আর এ ওয়ারেশ কায়েম সনদ দেয়ায় অবৈধদখলদাররা তৎকালিন ইউপি চেয়ারম্যানকে অপমাণিত করার চেষ্টা করেন। এছাড়া বিষয়টি নিয়ে মাছখোলা ক্লাবে নেতৃবৃন্দ মিমাংসার করার কথা বলে আমাদের সেখানে নিয়ে গেলে দখলদার বাহিনীর সদস্যরা আমার গলায় গামছা পেচিয়ে জোর পূর্বক আমার কাছ থেকে কাগজপত্র ছিনিয়ে নেয়। ক্লাব সেক্রেটারি আসমাতুল্লাহ বিষয়টি থানা পুলিশ না করে সে উদ্ধার করে দেবে বলে টালবাহানা করে এড়িয়ে যায়। বর্তমানে তারা আমার দুই ছেলে ও আমার ভাইদের নামে মিথ্যা নাশকতার মামলায় ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে।
তারা প্রকাশ্যে বলছে, সম্পত্তি উদ্ধারের চেষ্টা করলে তারা পুলিশকে ম্যানেজ করে আমার সন্তান ও ভাইদের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেল খাটাবে। এমতাবস্থায় আমি একজন অসহায় নারী হিসেবে আমার মাতার পৈতৃক সম্পত্তি উদ্ধার এবং আমার সন্তানদের যাতে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করতে না পারে সে জন্য পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
সংবাদ সম্মেলনে এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, হাসিনা খাতুনের বোনের মেয়ে খাদিজা খাতুন।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।