‘নেতৃত্ব চাই যক্ষ্মা নির্মূলে, ইতিহাস গড়ি সবাই মিলে’ এই শ্লোগানকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় যক্ষ্মারোগ প্রতিরোধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে কলেজ শিক্ষকদের করণীয় বিষয়ক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১৪ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টায় সাতক্ষীরা সিটি কলেজ মিলনায়তনে নাটাবের আয়োজনে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। নাটাবের সম্পাদক আব্দুল হান্নান মোল্যার সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরার সিভিল সার্জন ডা. রফিকুল ইসলাম। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা সিটি কলেজের অধ্যক্ষ আবু সাঈদ ও সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার সাইফুল্লাহ আল কাফি। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন নাটাব কর্মকর্তা তরুন কুমার বিশ্বাস। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন বেলাল হোসেন।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. রফিকুল ইসলাম বলেন, এক নাগাড়ে দুই সপ্তাহ বা তার অধিক সময়ে কাশি, ক্ষুধা মন্দা, শরীরের ওজন কমে যাওয়া, রাতে জ্বর আসা, বুকে ব্যথা ও শ্বাসকষ্ট দেখা দেওয়া ফুসফুসে যক্ষ্মা হওয়ার লক্ষণ। যক্ষ্মা রোগের ক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে এটি একটি জীবাণু ঘটিত সংক্রামক রোগ। একনগাড়ে দুই সপ্তাহ বা তার অধিক সময়ে কাশি থাকলে কফ পরীক্ষা করতে হবে এবং রোগ সনাক্ত হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা গ্রহণ করতে হবে। নিয়মিত সঠিক মাত্রায় ও নির্দিষ্ট সময়পর্যন্ত ঔষধ সেবনের মাধ্যমে যক্ষা সম্পূর্ণ ভালো হয়। হাঁচি, কাশি দেওয়ার সময়ে রুমাল ব্যবহার করতে হবে। বাংলাদেশের সকল জেলা সদর হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্র, বক্ষব্যাধি ক্লিনিক, বক্ষব্যাধি হাসপাতাল, মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন কমিউনিটি ক্লিনিকে বিনামূল্যে কফ পরীক্ষা ও যক্ষ্মা চিকিৎসার ব্যবস্থা আছে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
