ডেস্ক রিপোর্ট: সন্ধ্যা হতেই এলাকার চিংড়ি ঘেরগুলো হয়ে যায় লাল্টু বাহিনীর। ইচ্ছামতো লুটপাট করে লাল্টু ও তার বাহিনীর সদস্যরা। ১৩টি নাশকতা মামলার আসামি লাল্টু পথে ঘাটে যাকে তাকে মারধর করে এলাকায় সন্ত্রাস কায়েম করেছে। সে এলাকায় চাঁদা দাবি করে থাকে। চাঁদা না দিলে উল্টো মারধর করে। প্রতিবাদ করলে বাহিনী নিয়ে হামলা চালায়।
মঙ্গলবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এই অভিযোগ করেন আশাশুনি উপজেলার সরাপপুর গ্রামের স্কুল শিক্ষক হুমায়ুন কবির। তিনি ফিংড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক। এ সময় তার সাথে ছিলেন এলাকার মাহবুবুর রহমান, ইউপি সদস্য আলমগীর কবির, মো. নাসরুল্লাহ ফিরোজ, মো. শহিদুল ইসলাম ও বায়েজিদ শরাফীসহ কয়েকজন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, তার ছেলে আবেদিন শরাফী ব্যাংদহা কমিউনিটি ক্লিনিকে সিএইচসিপি পদে কর্মরত। গত নভেম্বর মাসে সরাপপুরের শাহাদাত হোসেনের ছেলে লাল্টু এলাকার ঘের থেকে লুটপাট করে। এর প্রতিবাদ করায় সে ও তার দুই সহযোগী রশিদ ও সাইফুল্লাহ ভেলু আবেদিন শরাফীকে মারধর করে। এ বিষয়ে আদালতে মামলা করা হলে সে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য বারবার হুমকি দিতে থাকে। এরপর আরও একদিন আবেদিনকে মারধর করার চেষ্টা করলে তার স্ত্রীর বাধায় তা পণ্ড হয়ে যায়। লাল্টু এলাকার মানুষের গরু ছাগল লুটপাট করে নিয়ে যায়। স্থানীয়দের পুকুর থেকে মাছ ধরে নিয়ে যায়। বাধা দিলে বলে ঠ্যাং ভেঙে দেবো। বাড়াবাড়ি করলে লাশ ফেলে দেবো। এ নিয়ে ইতোপূর্বে পত্রপত্রিকায় রিপোর্টও প্রকাশিত হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে হুমায়ুন কবির আরও বলেন, গত ১০ মার্চ তার ছেলে আবেদিন শরাফী শান্ত অফিসে যাচ্ছিল। এ সময় লাল্টু, সাইফুল্লাহ ভেলু ও রশিদ তাকে লোহার রড, লাঠিসোটা ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। এতে তার হাত পা ভেঙে যায়। এরপর থেকে সে হাসপাতালে ভর্তি আছে।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি লাল্টু ও তার বাহিনীর সদস্যদের গ্রেফতারের দাবি জানান। এ বিষয়ে তিনি সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
