ঢাকাThursday , 31 January 2019
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

সুন্দরবনের শুটকিপল্লী: মৌসুমের মাঝামাঝিতেই গত বছরের দ্বিগুণ রাজস্ব আহরণ

admin
January 31, 2019 10:11 pm
Link Copied!

ন্যাশনাল ডেস্ক: অনুকূল আবহাওয়া ও দস্যুদের দৌরাত্ম্য না থাকায় সুন্দরবন সংলগ্ন শুঁটকিপল্লীতে এখন উৎসবের আমেজ। জেলেরা নির্বিঘ্নে মাছ আহরণ করছেন, শুঁটকি তৈরিতে ব্যস্ত শ্রমিকরা। গত বছরের চেয়ে কয়েক গুণ শুঁটকি উৎপাদনের আশা করা হচ্ছে। যেখানে এরই মধ্যে গত বছরের তুলনায় দ্বিগুণ রাজস্ব আহরণের তথ্য জানিয়েছে বন বিভাগ।
প্রতি বছরের অক্টোবর থেকে মার্চ পর্যন্ত সুন্দরবনের দুবলারচরসহ বঙ্গোপসাগরের ছয়টি চরে মোংলা, রামপাল, খুলনা, সাতক্ষীরাসহ দক্ষিণ উপকূলের প্রায় ২০ হাজার জেলে অস্থায়ী বসতি স্থাপন করে মাছ আহরণ ও শুঁটকি প্রক্রিয়া করেন। জেলেরা সমুদ্র থেকে লইট্যা, ছুরি, চ্যালা, ভেটকি, কোরাল, চিংড়ি, রূপচাঁদা, কঙ্কন, মেদসহ বিভিন্ন প্রকার মাছ আহরণ করে মাচায় শুঁটকি তৈরি করেন। অনেকে চর থেকেই শুঁটকি বিক্রি করে দেন। কেউ বাজারে নিয়ে বিক্রি করেন। ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে সেই শুঁটকি দেশের বিভিন্ন প্রান্ত ও বিদেশে রফতানি হয়।
সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, এবার আলোরকোল (দুবলারচর), মেহের আলীর চর, অফিস কেল্লা, মাঝের কেল্লা, নারকেলবাড়িয়া ও শেলারচরে মোট ১ হাজার ২৫টি জেলেঘর, ৪৮টি ডিপো ঘর, নিত্যপ্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদির দোকান ৭৯টি ও ৭টি ভাসমান দোকানের অনুমতি দেয়া হয়েছে।
বন বিভাগ সূত্র আরো জানায়, এবার ডিসেম্বর পর্যন্ত ৬৯ লাখ ৮৩ হাজার ৪৪ টাকা রাজস্ব এবং ১০ লাখ ৪৭ হাজার ৪৫৬ টাকা ভ্যাট আদায় হয়েছে। যেখানে গত বছর পুরো মৌসুমে রাজস্ব আহরণ হয়েছিল ৩৩ লাখ ৭৮ হাজার ৩৬ টাকা এবং ভ্যাট ছিল ৫ লাখ ৬ হাজার ৮২৫ টাকা।
অবশ্য জেলেরা জানিয়েছেন, গত বছর ভারতীয় জেলেদের অনুপ্রবেশ, দস্যুদের হামলা ও লুটের কারণে তারা ঠিকমতো মাছ ধরতে পারেননি। ব্যবসায়ীরা লোকসান দিয়েছেন। ক্ষতি পুষিয়ে নিতে বন বিভাগের কাছে সময় বাড়ানোর আবেদনও করেছিলেন তারা।
তবে এবার সমুদ্রে ডাকাতদের উৎপাত নেই বলে জানান মাঝের কিল্লার চরে মাছ আহরণকারী রামপাল উপজেলার পেড়িখালী গ্রামের আক্কাস আলী। তিনি বলেন, ‘সমুদ্র শান্ত। আমরা নিজেদের মতো মাছ ধরতে পেরেছি। গেল বছরের তুলনায় এবার অনেক বেশি মাছ পেয়েছি।’ একই কথা বলেন আলোর কোলের শুঁটকি ব্যবসায়ী নুর ইসলাম।
দুবলা ফিশারম্যান গ্রুপের নেতা কামাল উদ্দিন আহমেদ জানান, শুঁটকি মৌসুমে বনে ও সমুদ্রে দস্যুদের খুব উৎপাত ছিল। বেশ কয়েক বছর ধরে দস্যুদের আত্মসমর্পণ ও আইন-কৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তত্পরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় এবার জেলেরা শান্তিতে মাছ আহরণ করতে পারছেন। এবার অনেক জেলে ও ব্যবসায়ী বিগত বছরের লোকসান কাটিয়ে উঠতে পারবেন বলে আমরা আশা করছি।
এ ব্যাপারে সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মাহমুদুল হাসান বলেন, মাছ আহরণের সময় প্রাকৃতিক কোনো দুর্যোগ না হওয়ায় এবং দস্যুদের উৎপাত না থাকায় জেলেরা অনেক বেশি মাছ আহরণ করতে পেরেছেন। যার ফলে রাজস্ব আহরণ বেড়েছে। আমরা আশা করি, এ মৌসুমে গত বছরের চেয়ে তিন গুণ রাজস্ব আহরণ সম্ভব হবে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।