ঢাকাMonday , 28 January 2019
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

কালিগঞ্জে ৩২টি সরকারি গাছ কেটে সাবাড় করলেন চেয়ারম্যান প্রশান্ত সরকার

admin
January 28, 2019 10:18 pm
Link Copied!

কালিগঞ্জ প্রতিনিধি: কালিগঞ্জের দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়নের ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডের সরকারি রাস্তার পাশের প্রায় ১৫ বছর আগে লাগানো ২৮টি ফলবান আম ও মেহগনি গাছ এবং ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরের ৪টি বড় শিশু গাছ কেটে সাবাড় করে দিয়েছেন ইউপি চেয়ারম্যান প্রশান্ত সরকার। এঘটনায় এলাকার মানুষের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
সোমবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের (সোনাতলা গ্রাম) কর্মকার পাড়া এলাকায় সরেজমিনে দেখা যায়, চেয়ারম্যান প্রশান্ত সরকার সরকারি রাস্তার পাশের ১৭টি আম ও মেহগনি গাছ কেটে নিয়েছেন। বাকি ৩টি গাছ কাটা তখন শেষ পর্যায়ে।
গাছ কাটার শ্রমিক উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের চাঁচাই গ্রামের এবাদ আলীর গাজীর ছেলে রাশেদ গাজী (৩৮) ও মুকুন্দ মধুসুদনপুর গ্রামের আলী গাজীর ছেলে সিরাজুল ইসলাম (৪০) জানান, তারা শ্রমিক হিসেবে গাছ কাটার কাজ করছেন। গাছগুলো কিনেছেন বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের জয়পত্রকাটি গ্রামের কাঠ ব্যবসায়ী সুজিত মন্ডল (৪২)। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত তারা ৫নং ওয়ার্ডের মেম্বর হাবিবুল্যাহ গাজী পুটুর এলাকায় ৮টি গাছ কাটা শেষ করার পর বিকেল থেকে ৬নং ওয়ার্ডে খালেক মেম্বরের এলাকায় ২০টি গাছ কাটার কাজ করছেন।
৬নং ওয়ার্ডের মেম্বর আব্দুল খালেক সরদার (৪৮) জানান, প্রায় তিন মাস পূর্বে ইউপি চেয়ারম্যান প্রশান্ত সরকার কিছু গাছ কেটে বিক্রির সিদ্ধান্ত নেন। এর প্রেক্ষিতে ইউনিয়ন পরিষদে রেজুলেশন করার পর উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে বিষয়টি জানিয়ে সপ্তাহ দুয়েক আগে প্রকাশ্য নিলামের মাধ্যমে কাঠ ব্যবসায়ী সুজিত মন্ডলের নিকট ৫ নং ওয়ার্ডে ৮টি মেহগণি গাছ ১৫ হাজার টাকায় এবং ৬নং ওয়ার্ডের মধ্যে মোট ২০টি আম ও মেহগনি গাছ ১৫ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়। এছাড়াও ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরের ৪টি শিশু গাছ ৮০ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়। গাছ বিক্রির মোট ১ লাখ ১০ হাজার টাকা পরিষদের উন্নয়নের কাজে ব্যয় করার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানান তিনি।
এলাকাবাসী জানান, প্রায় ১৫ বছর আগে প্রয়াত মেম্বর সুবল মন্ডল পরিবেশ রক্ষায় ও মানুষের কল্যাণে গাছগুলো রোপণ করেন। অথচ সরকারি রাস্তার পাশে ফলবান আম গাছসহ ছোট বড় মিলিয়ে ২৮টি গাছ কেটে ফেলা হলো। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা। তারা প্রশাসনের কাছে এর সুষ্ঠু প্রতিকার দাবি করেন।
এব্যাপারে জানতে চাইলে ইউপি চেয়ারম্যান প্রশান্ত সরকার বলেন, রাস্তায় বিদ্যুৎ লাইনের কাজ হচ্ছে। এজন্য রেজুলেশন করে গাছগুলো কেটেছি। গাছ কাটার জন্য ইউএনওর অনুমতি নেয়া হয়েছে। জেলা পরিষদের অনুমতি নেয়া হয়েছে কী না জানতে চাইলে তিনি বলেন, এগুলো ছোট ছোট গাছ। এজন্য জেলা পরিষদকে বিষয়টি জানানো হয়নি।
কালিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সরদার মোস্তফা শাহিন বলেন, গাছ কাটার অনুমতি প্রদান করা হয়েছে কী আমার জানা নেই। বিষয়টি তিনি দেখবেন বলে জানান।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।