ঢাকাSunday , 27 January 2019
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

দেবহাটার ঘলঘলিয়ার স্বামী পরিত্যক্তাকে মাথা গোজার ঠাঁই করে দিলেন ইউএনও

admin
January 27, 2019 9:56 pm
Link Copied!

মীর খায়রুল আলম, দেবহাটা: দেবহাটার ঘলঘলিয়ার স্বামী পরিত্যক্তা রহিমা (৪৮) কে নিয়ে নিজের টাকায় ঘর নির্মাণ করে দিলেন ইউএনও হাফিজ আল আসাদ। আর নিজের মাথ গোজার ঠাঁই পেয়ে আনন্দে আত্মহারা রহিমা।
সূত্র জানায়, রহিমা (৪৮) ও তার প্রতিবন্ধী ছেলে ইব্রাহিম হোসেন থাকার জায়গা না থাকায় পথেঘাটে রাত কাটাতো। মাত্র নয় বছর বয়সে রহিমা খাতুনের বিয়ে হয় কালিগঞ্জ উপজেলার রেজাউল ইসলামের সাথে। সংসার জীবনে তার ছেলে জন্মের কিছুদিন পূর্বে স্বামী ছেড়ে চলে যায়। সন্তান জন্মদানের পর থেকে বহু কষ্টে দিন পার করতে থাকেন রহিমা। সংসার পরিচালনা করতে গিয়ে নেমে পড়েন মাছের আড়তে কাজ করতে। কখনো লোকের বাড়িতে ঝিঁ এর কাজ করে সংসার চলত তার। এভাবে কেটে যায় বহু বছর। ক্রমশ: তার পুত্র সন্তান বড় হতে থাকে। কিছু দিন পর তিনি বুঝতে পারেন তার সন্তানটি বুদ্ধি প্রতিবন্ধী। ভেঙ্গে পড়েন তিনি। তারপরেও জীবন যুদ্ধে হার না মেনে চালাতে থাকেন সংসার। এরপর কাজ শুরু করেন বিভিন্ন হোটেল ও রেস্তরায়। তাতেও ভালো দিন কাটছিল না তার। শুরু করে টাউনশ্রীপুর বাজার পরিষ্কার করার কাজ। বাজারের দোকানদারদের দেওয়া এবং বিভিন্ন ব্যক্তির দেওয়া অর্থ নিয়ে কোন রকম দিন পার করেন তিনি। এমনকি নিজেদের ঘরবাড়ি না থাকায় বিভিন্ন দোকানের সামনের বেঞ্চে, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বারান্দায় রাত কাটাতে থাকেন রহিমা ও তার ছেলে।
এমন খবর জানতে পেরে দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাদেরকে ডেকে পাঠান তার অফিসে। তাদের দুঃখ, কষ্টের কথা শুনে ব্যাথিত হয়ে তার পৌত্রিক ভিটায় গিয়ে একটি জায়গা নির্ধারণ করেন এবং নিজের অর্থ দিয়ে এক কক্ষ বিশিষ্ট পাঁকা ঘর নির্মাণ করে দেন তিনি।
রহিমা খাতুন জানান, আমি কখনো ভাবিনি নিজের পাকা ঘরে বসবাস করতে পারব। একদিন ইউএনও সাহেব আমাকে ডাকেন। আমি তার অফিসে গিয়ে আমার জীবনের ঘটে যাওয়া গল্প শোনাই। আমার পিতার বাড়িতে এসে তিনি নিজের টাকায় একটি পাকা ঘর তৈরি করে দিয়েছেন। নতুন পাকা ঘর পেয়ে আমরা মহা খুশি। এমন একজন ইউএনও যদি সব জায়গায় থাকে তাহলে আমাদের মত দুঃখী মানুষের মাথা গোজার ঠাঁই পাবে।
দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাফিজ-আল-আসাদ জানান, আমি তাদের বিষয়ে জেনে খুব ব্যথিত হয়ে তাদের পরিবারের বসবাসের জন্য নিজের ব্যক্তিগত টাকায় একটি ঘর নির্মাণ করে দিয়েছি। তিনি আরো বলেন, এমন সম্বলহীনদের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের জন্য কিছু করতে পারাটাই সবচেয়ে আনন্দের বিষয়।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।