আরিফুল ইসলাম রোহিত: কালিগঞ্জের কৃষ্ণনগরে গাঁজা সেবনকালে দুই চিহিৃত মাদকসেবীকে গাঁজাসহ জনতা আটক করে পুলিশের কাছে দিলেও অজ্ঞাত কারণে তদেরকে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগটি উঠেছে খোদ আইনশৃঙ্খলা রক্ষা কারী বাহিনীর বিরুদ্ধে।
গাঁজাসহ আটক দুই মাদকসেবী হলো কৃষ্ণনগর গ্রামের লক্ষ্মীপদ বিশ্বাসের ছেলে গৌর বিশ্বাস (৪৫) ও শ্যামনগর উপজেলার পদ্মপুকুর ইউনিয়নের পাতাখালী গ্রামের ফটিক সরদারের ছেলে মাসুদ মোস্তফা (৪০)।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানা যায়, শনিবার বেলা দেড়টার দিকে এলাকায় মাদকসেবী হিসেবে পরিচিত গৌর বিশ্বাস ও কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আব্দুল মাজেদ এর আত্মীয় মোস্তফা মাসুদকে গাঁজা সেবনকালে আটক করে স্থানীয় জনতা। পরবর্তীতে থানায় খবর দিলে সহকারী উপ-পরিদর্শক মোজাফফর হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশ দু’জনকে আটক দেখিয়ে থানায় নিয়ে আসেন। কিন্তু জনসম্মুখে গাঁজাসহ আটক দু’জনকে অজ্ঞাত কারণে থানা থেকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।
এদিকে ঘটনার পরপরই কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নূর আহমেদ সুরুজ ও তার ছেলে সম্রাট দুই মাদকসেবীকে আটক করে পুলিশের কাছে দেয়ার কারণে স্থানীয় ‘জাগ্রত কৃষ্ণনগর’ নামক সংগঠনের কার্যালয়ে তালা লাগিয়ে দেয়।
এব্যাপারে জানতে চাইলে সহকারী উপ-পরিদর্শক মোজাফফর হোসেন বলেন, দু’জনকে আটক করে জনতা থানায় খবর দিলে আমি তাদেরকে থানায় আনি। পরবর্তীতে ওসি সাহেব তাদেরকে ছেড়ে দিয়েছে কী না আমি জানি না।
কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নূর আহমেদ সুরুজের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, গাঁজাসহ দু’জনকে আটক কিংবা থানা থেকে ছাড়িয়ে নেয়ার বিষয়ে আমি কিছু জানি না। জাগ্রত যুব সংঘ কার্যালয়ে তালা লাগানোর বিষয়ে তিনি বলেন, আমি কৃষ্ণনগর যুব সংঘের সভাপতি ছিলাম। এটা ছিল রেজিস্টার্ড। আমি এখন সভাপতির দায়িত্বে নেই। জাগ্রত কৃষ্ণনগর নামক সংগঠনের সভাপতি আমার ভাগ্নে সেলিম মাহমুদকে জাগ্রত কৃষ্ণনগর এর পরিবর্তে কৃষ্ণনগর যুব সংঘের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নিতে বললেও সে রাজি হয়নি। এজন্য জাগ্রত কৃষ্ণনগর এর অফিসে তালা লাগানোর ঘটনা ঘটেছে বলে জানান তিনি।
