ঢাকাFriday , 18 January 2019
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

সাতক্ষীরা, খুলনা ও বাগেরহাটে ৫ হাজার স্থানে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের ব্যবস্থা

admin
January 18, 2019 9:13 pm
Link Copied!

ডেস্ক রিপোর্ট: উপকূলবর্তী বৃহত্তর খুলনার তিন জেলায় ভূ-গর্ভস্থ পানির ওপর চাপ কমাতে পাঁচ হাজার স্থানে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর। টিনের চাল ও ভবনের ছাদ বেয়ে পড়া বৃষ্টির পানি বিশেষ পদ্ধতিতে সংরক্ষণ করে উপকূলের মানুষের সুপেয় পানির চাহিদা মেটানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। পাশাপাশি খরাপ্রবণ এলাকায় সংরক্ষিত পানি থেকে সেচের ব্যবস্থা করার পরিকল্পনাও রয়েছে।
সূত্র জানায়, ২০০৯ সালে ঘূর্ণিঝড় আইলার আঘাতের পর উপকূলীয় এলাকায় নিরাপদ পানির ভয়াবহ সংকট দেখা দেয়। প্রথম দিকে সাতক্ষীরা পৌরসভাসহ বিভিন্ন এনজিও ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে নিরাপদ পানি সরবরাহে এগিয়ে আসে। পরে উপকূলীয় এলাকায় নিরাপদ পানির সরবরাহ নিশ্চিত করতে এবং ভূ-গর্ভস্থ পানির ওপর চাপ কমাতে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলার প্রত্যন্ত এলাকায় নিরাপদ পানি সরবরাহ প্রকল্প হাতে নেয়। গভীর নলকূপ, উৎপাদক নলকূপ, পাইপলাইন স্থাপন, পিএসএফ ও রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টিং (বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ) এ প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত। তিন বছর মেয়াদি এ প্রকল্পের দুই বছর এরই মধ্যে পূর্ণ হয়েছে।
জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ প্রকল্পের আওতায় খুলনার কয়রা, পাইকগাছা, দাকোপ, সাতক্ষীরার শ্যামনগর, জেলা সদর, তালা, কলোরোয়া, আশাশুনি, দেবহাটা, বাগেরহাটের রামপাল, মোংলা, মোরেলগঞ্জ, শরণখোলা, কচুয়া ও চিতলমারী উপজেলার পাঁচ হাজার স্থানে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
এদিকে বর্তমানে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের ওপর নির্ভরশীল এলাকাগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি উপজেলা খুলনার বটিয়াঘাটা। পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় এ উপজেলার তিনটি ইউনিয়নের ১৪টি গ্রামের মানুষ বছরের আট মাসই বৃষ্টির পানি পান করেন। কোনো বছর বৃষ্টিপাত কম হলে তাদের বেশ বিপাকে পড়তে হয়। এসব গ্রামে মাটির গভীরে সুপেয় পানির কোনো স্তর নেই। পানির স্তর নেমে যাওয়ায় গত ১০ বছরে ১৫০টি সুপেয় পানির উৎস বন্ধ হয়ে গেছে। গভীর অগভীর নলকূপ ও অন্যান্য পানির মোট উেসর পরিমাণ ২ হাজার ১২৫টি। গভীর নলকূপ রয়েছে ১ হাজার ৭৯৭টি। এরই মধ্যে ৫৩টি সম্পূর্ণ অকেজো হয়ে পড়ে আছে। অন্যান্য উেসর মধ্যে অগভীর নলকূপ দুই শতাধিক অকেজো হয়ে আছে।
বাড়ি বাড়ি পানি সংরক্ষণ ব্যবস্থার পাশাপাশি পাইপলাইন স্থাপনের কাজও এগিয়ে নিচ্ছে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর। সাতক্ষীরার শ্রীউলা, কমলাপুর, হাঁড়িভাঙ্গাসহ ১২টি গ্রামে এবং খুলনার ফুলতলা উপজেলা পরিষদের পাশে কয়েকটি গ্রামে নিরাপদ পানি সরবরাহের জন্য ৩৪ কিলোমিটার পাইপলাইন স্থাপনের কাজ চলছে। পাশাপাশি উপকূলীয় এলাকায় ৬৬৪টি গভীর নলকূপ, ১৫০টি পিএসএফ ও উৎপাদক নলকূপ স্থাপন করা হচ্ছে।
খুলনার জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী এফএম ইসমাইল হোসেন জানান, উপকূলীয় এলাকায় পানির দূষণমাত্রা (লবণাক্ততা ও অন্যান্য) খুব বেশি। এ অঞ্চলে প্রাকৃতিক দুর্যোগে পানি সরবরাহ ও স্যানিটারেশন (পরিশুদ্ধকরণ) ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ এলাকায় নিরাপদ পানি সরবরাহের লক্ষ্যে সরকার বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। প্রকল্প বাস্তবায়িত হওয়ায় জনগণের স্বাস্থ্য ও জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে। উপকূলের দুই লাখ মানুষ নিরাপদ পানি পাবে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।