ডেস্ক রিপোর্ট: শ্যামনগরের শংকরকাটি কমিউনিটি ক্লিনিকের স্বাস্থ্য সেবিকা (এফডাব্লিউএ) দেবী তমালিকা ঝিলিকের বিরুদ্ধে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ার বিনিময়ে রোগীদের নিকট থেকে উৎকোচ গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা বরাবর শংকরকাটি গ্রামের জনৈক গৃহিনী হাফিজা খাতুন এ বিসয়ে লিখিত একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, রোগীদের সরকারি প্রদত্ত বিনামূল্যের ইনজেকশন দেওয়ার নামে অবৈধ অর্থ দাবি করেন তমালিকা। অর্থ দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে রোগীদের কে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করেন তিনি।
অভিযোগে বলা হয়, জন্মবিরতিকরণের কাটি পরানোর নাম করে ২০০০ টাকা নেন তমালিকা। পরে আরও ১০০০ টাকা দাবি করলে তা না দেওয়ায় যেনতেনভাবে কাটি পরিয়ে দেন তিনি। যার ভয়াবহতা হাফিজা খাতুন বুঝতে পারছেন। পরবর্তীতে ঐ জায়গায় ইনফেকশন হলে হাফিজা খাতুন দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ থাকেন এবং অনেক টাকা ব্যয় করে চিকিৎসা নেন।
ভুক্তভোগী হাফিজা খাতুন বলেন, জন্মবিরতিকরণের কাটি পরানোর নাম করে প্রথমে আমার কাছ থেকে ২০০০ টাকা নেয়। পরে আরও ১০০০ টাকা দাবি করলে আমি দিতে অস্বীকৃতি জানালে যেনতেন ভাবে কাটি পরিয়ে দেয়। পরবর্তীতে ঐ জায়গায় ইনফেকশন হলে আমি অসুস্থ হয়ে পড়ি। পরে ইনজেকশন দেওয়ার নাম করে আরও ৫০০ টাকা দাবি করলে হাফিজা খাতুন তা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ইনজেকশন না দিয়ে খারাপ আচরণ করের স্বাস্থ্যকর্মী তমালিকা।
এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে তমালিকা নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বলেন, এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। বাধ্যবাধকতার কারণে তার চাহিদা পূরণ করতে না পারায় তার বিরুদ্ধে অসত্য অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
