ডেস্ক রিপোর্ট: চলতি বছর যশোর বোর্ডে জেএসসি-জেএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ৮৪.৬১, যা গতবারের চেয়ে ১ শতাংশের কিছু বেশি। তবে জিপিএ-৫ প্রায় অর্ধেক কমেছে। এবার জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭ হাজার ২৫৬ জন।
সোমবার দুপুরে প্রেসক্লাব যশোরে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান যশোর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাধব চন্দ্র রুদ্র।
শিক্ষাবোর্ড সূত্র জানায়, চলতি বছর যশোর বোর্ডের অধীনে ২ হাজার ৮৩৬ বিদ্যালয় থেকে ২ লাখ ৩৫ হাজার ৮২২ শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে ছাত্র ১ লাখ ১৩ হাজার ৮৭ জন এবং ছাত্রীর সংখ্যা ১ লাখ ২২ হাজার ৭৩৫ জন। খুলনা বিভাগের ১০ জেলার মোট ২৭০ কেন্দ্রে তারা পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে পাস করেছে ১ লাখ ৯৯ হাজার ৫৩৬ জন। পাসের হার ৮৪.৬১ শতাংশ। আর জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭ হাজার ২৫৬ জন। গত ২০১৭ সালে এ বোর্ডে জেএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৮৩.৪২ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছিলো ১৪ হাজার ৬১২ জন।
পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বলেন, এবার অংকে পাসের হার একটু কম। ৮৮.২২ শতাংশ ছেলেমেয়ে পাস করেছে অংকে। এছাড়াও চতুর্থ সাবজেক্ট না থাকায় জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যা কমেছে বলে তিনি মন্তব্য করেছেন। তবে সার্বিক ফলাফলে বোর্ডের পাসের হার এবার বেশি।
তিনি জানান, চলতি বছর শিক্ষাবোর্ডের অধীনের একটি বিদ্যালয় থেকে কেউ পাস করেনি। বিদ্যালয়টি হলো সাতক্ষীরার তালা উপজেলার মিঠাবাড়ি সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়। এখানে মোট চারজন পরীক্ষার্থী ছিল। তাদের সবাই একটি বিষয়ে অকৃতকার্য হয়। এদের তিন জন ইংরেজিতে এবং একজন অংকে। আর ২৭৬ বিদ্যালয় থেকে শতভাগ পরীক্ষার্থী পাস করেছে।
প্রেসক্লাব যশোর মিলনায়তনে সাংবাদিকদের তথ্য প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন কলেজ পরিদর্শক কে এম গোলাম রব্বানী, বিদ্যালয় পরিদর্শক ড. বিশ্বাস শাহিন আহমেদ, উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক জাহাঙ্গীর আলম।
