ডেস্ক রিপোর্ট: সাতক্ষীরা-৩ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ডা. শহিদুল আলমের নির্বাচনী কার্যালয় থেকে দেবহাটা উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি সিরাজুল ইসলাম, আশাশুনি উপজেলা বিএনপির সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিক, যুগ্ম-সম্পাদক জুলফিকার আলী জুলু, সাংগঠনিক সম্পাদক খায়রুল আহছানসহ কমপক্ষে ৫০জন নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে কালিগঞ্জ উপজেলার নলতা চৌমুহনী এলাকায় বিএনপির প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে
সংসদ সদস্য প্রার্থী ডা. শহীদুল আলম নেতাকর্মীদের সাথে নির্বাচনী আলাপ-আলোচনাকালে পুলিশ তাদের আটক করে।
আটক অন্যান্যদের মধ্যে কালিগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুল খালেক, আশাশুনি উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জুলফিকার আলী জুলি, শোভনালী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আহছাফুর রহমান মুকুল, দেবহাটা উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং সাবেক ইউপি সদস্য ইবাদুল ইসলাম, নলতা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আবু হাসানের নাম জানা গেছে।
ডা. শহিদুল আলম জানান, তিনি নির্বাচনের বিভিন্ন স্থানে পোলিং এজেন্ট ঠিক করার জন্য নেতাদের নিয়ে আলোচনা করছিলেন। এসময় কালিগঞ্জ সার্কেলের সহকারি পুলিশ সুপার জাবিরুল ইসলাম, কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ হাসান হাফিজুর রহমান ও দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ সৈয়দ আব্দুল মান্নানের নেতৃত্বে একদল পুলিশ তাদের অফিস ঘিরে ফেলে। এসময় সেখানে উপস্থিত কমপক্ষে ৫০-৫২ জন নেতাকর্মীকে আটক করে নিয়ে যায় তারা।
এসময় ডা. শহিদুল আলম তাদের আটকের বিষয়টি জানতে চাইলে পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে মামলা আছে বলে জানান।
কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ হাসান হাফিজুর রহমান বলেন, সেখান থেকে অনেককে আটক করা হয়েছে। কার বিরুদ্ধে কি মামলা আছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
