বুধবার সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সম্মেলন কক্ষে সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) এর আয়োজনে ও মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক শেখ শাহজাহান আলী’র সভাপতিত্বে সেবার মান উন্নয়নে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সভায় ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) এবং সনাক’র স্বাস্থ্য খাতের কার্যক্রম ও সভার উদ্দেশ্য সম্পর্কে ধারণা প্রদান করেন টিআইবি’র এরিয়া ম্যানেজার আবুল ফজল মোহাম্মদ আহাদ। সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চলমান এবং চালু হওয়ার প্রক্রিয়ায় রয়েছে এমন সেবা সম্পর্কে অবহিত করেন ডা. আকতারুজ্জামান। বক্তব্য রাখেন সনাক সভাপতি কিশোরী মোহন সরকার, সনাক সদস্য প্রফেসর আব্দুল হামিদ, কল্যাণ ব্যানার্জি, পবিত্র মোহন দাশ, ডা. শংকর প্রসাদ বিশ^াস প্রমুখ।
সভায় মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. কাজী হাবিবুর রহমান বলেন, ‘নিয়োগ জটিলতা থাকায় ডাক্তাররা নিয়োগ পাচ্ছেন না এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পোস্ট সৃষ্টি করা এবং শূন্যপদেও ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে এ বিষয়ে একাধিকবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। তবে পোস্ট গ্রেজুয়েট চালু হলে ডাক্তার সংকট চাপ অনেকটাই কমে যাবে। এজন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তর বিসিপিএস কর্তৃক পরিদর্শনও সম্পন্ন হয়েছে। আশা করা যায় বিসিপিএস থেকে শীঘ্রই প্রয়োজনীয় নির্দেশনা পাওয়া যাবে।’
সভায় মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সেবা খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠায় একটি খসড়া পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়।
এ সময় অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন সনাক সদস্য ড. দিলারা বেগম, ডা. কাজী আরিফ আহমেদ, ডা. ফারজানা হোসেন, ডা. মো. সায়ফুল্লাহ, ডা. সুদেষ্ণা সরকার, ডা. মো. আকতারুজ্জামান, ডা. কল্যানশীষ সরদার এবং ডা. শেখ ফয়সাল আহমেদ এবং মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাবৃন্দ, সনাকের স্বজন ও ইয়েস গ্রুপের সদস্যবৃন্দ প্রমুখ।
সভায় জানানো হয় বহির্বিভাগসহ ইনডোর কেবিন ও ওয়ার্ড চালু আছে। সিসিইউ, আইসিইউ আছে। প্রায় সকল যন্ত্রপাতি থাকলেও প্রয়োজনীয় টেকনিক্যাল জনবল সংকটের কারণে জরুরী বিভাগ এখনই চলু করা সম্ভব হচ্ছে না। অন্যান্য বিভাগগুলোও পূর্ণমাত্রায় চালু করতে আরো জনবল প্রয়োজন। কিডনি রোগীদের জন্য ডায়ালাইসিস সেবা সক্রিয় আছে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
