যুগিখালী (কলারোয়া) প্রতিনিধি: কলারোয়ার বামনখালী বাজারে ভরপুর আগাম শীতের সবজি উঠছে।
সবার কাছে শীতের সবজির রয়েছে আলাদা কদর। শীত আগমনের শুরুতেই নানান রকমের সবজিতে ভরে ওঠে মাঠ। কৃষকরা সারাদিন মাঠে ব্যস্ত সময় পার করেন লাউ, শিম, ফুলকপি, বাধাকপি, মূলাসহ হরেকরকম সবজির চাষ নিয়ে।
একটা সময় ছিলো যখন কৃষকদের পাশাপাশি প্রায় বাড়িতে নানান ধরনের সবজি চাষ হতো। গৃহিনীরা নিজেদের শখ ও টাটকা সবজির স্বাদ নিতে বাড়িতে মাচা বেঁধে শাক-সবজির চাষ করতেন। আবহমান কাল ধরে এটাই ছিলো শীতকালীন গ্রাম বাংলার চিরায়ত রুপ। সময়ের বাস্তবতায় এখন আর গ্রাম বাংলায় সেই চেহারা নেই। এখন শীতকালীন সবজির জন্য মূলত: সবাইকে বাজারের উপর নির্ভর করতে হয়।
কলারোয়ার যুগিখালী ইউনিয়নের সব থেকে বড় বাজার হলো বামনখালী বাজার। এখানে সপ্তাহের শনি ও মঙ্গলবার হাট বসে। এলাকার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে চাষী ও ব্যবসায়ীরা এখানে কেনাবেচা করতে আসেন।
সরেজমিনে দেখা যায় হাটে শীতকালীন বিভিন্ন শাক সবজি আনা হয়েছে। তবে এখন শীতের প্রভাব বেশি না থাকায় এর পরিমাণ কম।
হাটে সবজি বিক্রি করতে আসা এক কৃষক জানান, এখন যে সবজি নিয়ে আসা হচ্ছে তা আগাম চাষ করা। আগাম চাষ করে ভালো দাম পাওয়া যায়।
সবজি বিক্রেতা মনিরুল সরদার জানান, এখন শীতের শুরু মাত্র। এজন্য সবজির দাম একটু বেশি। তবে পুরো শীতে যোগান বেশি হলে দাম অনেক কমে যাবে। প্রথম দিকে সবজির দাম যা ছিলো এখন তা প্রতি কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা কমেছে। তিনি জানান, পালং শাক ১০ টাকা ছিলো এখন ৫ টাকা, ফুলকপি ৫০-৬০ টাকা থেকে কমে এখন ২৫-৩০ টাকা, বাধাকপি ৩০ টাকা ছিলো, এখন ২০। শিম ছিলো ৬০ টাকা এখন ৪০ টাকা, মূলা ৩০ টাকা ছিলো এখন ১০ টাকা। এভাবে আরও দাম কমতে থাকবে।
