ঢাকাSaturday , 20 October 2018
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

কপিলমুনি হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা ও জনবল বৃদ্ধিকল্পে সংসদ সদস্যের ডিও প্রদান, আশার আলো দেখছে এলাকাবাসী

admin
October 20, 2018 10:15 pm
Link Copied!

জি এম মোস্তাক আহমেদ, কপিলমুনি: পাইকগাছার কপিলমুনিতে বর্ধিষ্ণু জনপদের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে শত বছরের পুরোনো কপিলমুনি হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধি ও আধুনিক চিকিৎসা সেবা প্রাপ্তি এখন সময়ের দাবি। বর্তমানে প্রায় তিন লক্ষাধিক মানুষের চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।
সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দক্ষিণ খুলনার ৩টি উপজেলার প্রায় তিন লক্ষাধিক মানুষের একমাত্র চিকিৎসা কেন্দ্র কপিলমুনি হাসপাতাল। প্রতিষ্ঠার ৯২ বছর পার হলেও তেমন কোন উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি এখানে। আসেনি উন্নত সব চিকিৎসার যন্ত্রপাতি। হাসপাতালটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে কয়েকবার সরকার ও স্থানীয় নেতৃত্বের পরিবর্তন হলেও হাসপাতালটির ভাগ্যের উন্নয়ন হয়নি। তবে দীর্ঘ দিন পর হলেও চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত মানুষের কথা বিবেচনা করে স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শেখ মো. নুরুল হক স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর কপিলমুনি হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা উন্নীতকরণে ডিও দিয়েছেন। যার ফলে আশার আলো দেখছে এ জনপদের মানুষ।
বাজাসস/১০৪/খুলনা-৬/২০১৮-১০৯১ নং স্মারকে উল্লেখ করে সংসদ সদস্য নুরুল হক বলেছেন, কপিলমুনি হাসপাতালের অবকাঠামোর উন্নয়ন ও শয্যা সংখ্যা কমপক্ষে ২০ শয্যায় উন্নীতকরণ এলাকার মানুষের প্রাণের দাবি এবং সময়ের দাবিও বটে।
হাসপাতালের দায়িত্বপ্রাপ্ত মেডিকেল অফিসার ডা. আ. রব জানান, কপিলমুনি হাসপাতালটি তিন একর জমির উপর প্রতিষ্ঠিত। এখানে একতলা বিশিষ্ট বহির্বিভাগ, দ্বিতল বিশিষ্ট আন্তঃবিভাগ, পুকুর ২টি, বেড সংখ্যা ১০টি, অক্সিজেন সিলিন্ডার ৬টি, অক্সিজেন ফ্লোমিটার ২টি, আবাসিক ভবনগুলো পরিত্যক্ত হয়ে পড়েছে। এছাড়া জনবল রয়েছে- একজন চিকিৎসক, তিনজন নার্স, একজন ফার্মাসিস্ট ও দুইজন অফিস সহকারি নিয়োজিত রয়েছেন।
আয়া, বাবুর্চি, নাইটগার্ড, ওয়ার্ডবয় ও ফ্লোর ক্লিনার পদে কোন কর্মীই সেখানে নেই। এছাড়া হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্স, অপারেশন থিয়েটার, লেবার রুম ও লেবার ওয়ার্ড নাই।
এ ব্যাপারে নাছিরপুর গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা শেখ নেছার আলী জানান, বর্ধিষ্ণু জনপদের বিশাল জনগোষ্ঠীর চিকিৎসা সেবা প্রদানে প্রয়োজনীয় জনবল এবং অবকাঠামোগত সুবিধা কপিলমুনি হাসপাতালের নেই।
এলাকার প্রবীণ ব্যক্তি এরফান আলী মোড়ল জানান, হাসপাতাল শয্যা বৃদ্ধি এখন সময়ের দাবি। এমপি যে ডিও প্রদান করেছেন তা অতিদ্রুত বাস্তবায়িত হলে এই অঞ্চলের জন্য ভালো হবে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।