ঢাকাWednesday , 29 August 2018
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

কেশবপুরে দায়িত্বশীলদের অবহেলায় বন্ধ হচ্ছে না বাল্য বিবাহ

admin
August 29, 2018 10:27 pm
Link Copied!

শেখ শাহীন, কেশবপুব: কেশবপুরে সরকারের নানামুখি পদক্ষেপের মধ্যেও দায়িত্বশীলদের অবহেলায় বন্ধ হচ্ছে না বাল্যবিবাহ। জন্ম নিবন্ধনে বয়স বৃদ্ধি, তদবির বাণিজ্য এবং প্রশাসনিক পদক্ষেপের অভাবে এ উপজেলায় স্কুল পড়ুয়া অপ্রাপ্ত বয়স্ক মেয়েদের গোপনে ও প্রকাশ্যে বাল্যবিবাহের শিকার হতে হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার অধিকাংশ মেয়ে স্কুলের গ-ি পার হওয়ার আগেই তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিয়ে দেওয়া হচ্ছে। অভিভাবদের ভুল সিদ্ধান্তের ফলে অল্প বয়সে বিবাহ দেওয়া এ সব মেয়েদের অধিকাংশই বছর পার না হতেই যৌতুকসহ বিভিন্ন কারণে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটছে। বর্তমান সরকার বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে কঠোর অবস্থানে থাকলেও কেশবপুুরে বাল্যবিবাহ হচ্ছে অহরহ। সংশ্লিষ্ট এলাকাবাসী বাল্যবিবাহ বন্ধের জন্য মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি কৌশলে দায় এড়ানোর জন্য চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অনেক এলাকায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে দিনে বিবাহ বন্ধ করলেও গোপনে ওই দিনই গভীর রাতে বিবাহ দেওয়ার ঘটনাও ঘটছে। বর্তমানে অভিভাবকরা মেয়ের জন্ম নিবন্ধনকে বাল্য বিবাহের প্রধান হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন। টাকা ছড়ালেই কোন রকম যাচাই বাছাই ছাড়াই এলাকার প্রতিনিধিরা মেয়ের বয়স ১২ থেকে ১৮ করে দিচ্ছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার মজিদপুর ইউনিয়নের কালিয়ারই এসবিএল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীর (১৩) গত ১৮ জুলাই বিয়ে হয়। ঘটনাটি উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানকে জানানোর পরও ওই বাল্যবিবাহ সম্পন্ন হয়। দায়িত্বশীলদের অবহেলার ফলে উপজেলা জুড়ে এরকম বাল্যবিবাহ চলছে।
এবিষয়ে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা কানিজ ফাতেমা শেফা বলেন, আমার বিরুদ্ধ যে অভিযোগ করা হচ্ছে তা সঠিক নয়। বাল্যবিবাহ বন্ধ করার দায়িত্ব আমার একার নয়, সংশ্লিষ্ট ইউপি’র ওয়ার্ডের মেম্বার, ইউপি চেয়ারম্যান, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ সকলকে জানাতে হবে। এর মধ্যেও বাল্যবিবাহর খবর পাওয়া গেলে বিবাহ বন্ধ করা হচ্ছে। তারপরও কেউ যদি রাতের আধারে গোপনে বিবাহ দিয়ে দেয় তাহলে আমাদের কি করার থাকতে পারে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মিজানূর রহমান জানান, কোন ক্রমেই কেশবপুর উপজেলায় বাল্যবিবাহ সংঘটিত হতে দেওয়া হবে না। বাল্যবিবাহের কাজে সহযোগিতাকারী সকলকে সনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।