ঢাকাSunday , 19 August 2018
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

মণিরামপুরে জমি আছে ঘর নাই প্রকল্পের ঘুষের টাকা ফেরত চাওয়া নিয়ে তুলকালামকাণ্ড

admin
August 19, 2018 3:47 pm
Link Copied!

মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি: মণিরামপুরে ‘জমি আছে ঘর নাই’ প্রকল্পের ঘর পাবার আশায় দালালের কাছে দেওয়া ঘুষের টাকা ফেরত চাওয়া নিয়ে তুলকালামকাণ্ড ঘটনা ঘটেছে। সম্প্রতি টাকা ফেরত চাওয়ায় ঘর প্রত্যাশী উত্তম দাস দালালের হাতে মারপিটের শিকার হয়েছেন। উত্তম দাস উপজেলার হরিদাসকাটি ইউনিয়নের হাজরাইল ঋষী পল্লীর গুরুপদ দাসের ছেলে। শুক্রবার (১৭ আগস্ট) রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকুরিয়া বাজারে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলে এসে দালালের পক্ষ নিয়ে আবারো উত্তমসহ তার পক্ষাবলম্বনকারীদের মারতে উদ্যত হলে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানসহ তার সাঙ্গপাঙ্গদের অবরুদ্ধ করে রাখে বিক্ষুব্ধ জনতা। পরে স্থানীয় আ’লীগ নেতৃবৃন্দের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়।
জানা যায়, চলতি অর্থ বছরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ‘জমি আছে ঘর নাই’ প্রকল্পের আওতায় উপজেলার সাত ইউনিয়নে প্রথম পর্যায় ৩শ’ ঘর নির্মাণের কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। আরো ৩শ’৬১ টি ঘর নির্মাণের জন্য তালিকা প্রস্তুতির কাজ চলছে।
উত্তম দাস জানান, ঘর পাবার আশায় নয় মাস আগে সুদে করে স্থানীয় মেম্বর আমজেদ ও হরপ্রসাদের কাছে ১০ হাজার টাকা দেন। ঘর না পেয়ে গত তিন মাস ধরে হরপ্রসাদের কাছে টাকা ফেরত চাচ্ছিলেন তিনি। ঘটনার দিন রাত সাড়ে ৯টার দিকে হরপ্রসাদকে ঢাকুরিয়া বাজারে পেয়ে টাকা ফেরত চাইলে জাত তুলে গালি দিয়ে গায়ে হাত তুলে। এসময় স্থানীয় আ’লীগ নেতা ইদ্রিস আলীসহ কয়েকজন তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসলে পরিস্থিতি বেগতিক দেখে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান বিপদ ভঞ্জন পাঁড়েকে মোবাইলে খবর দেয় হরপ্রসাদ।
ইদ্রিস আলী জানান, চেয়ারম্যান ঘটনাস্থলে এসে উত্তমসহ তাকে মারতে উদ্যত হলে স্থানীয় জনতা বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠে। এক পর্যায় চেয়ারম্যান অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন। পরে স্থানীয় আ’লীগ নেতৃবৃন্দের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। স্থানীয় ঢাকুরিয়া ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি সাবেক চেয়ারম্যান এরশাদ আলী সরদার বলেন, তিনি হট্টগোলের খবর শুনে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেন। জানতে চাইলে হরপ্রসাদ টাকা গ্রহণের কথা অস্বীকার করে বলেন, চেয়ারম্যানের সাথে থাকার কারণে টাকার জন্য তাকে চাপ দিচ্ছিল উত্তম। মেম্বর আমজেদ হোসেন নিজে টাকা নেয়ার কথা অস্বীকার করে বলেন, তাকে সাথে করে উত্তম ৮/৯ মাস আগে হরপ্রসাদের কাছে ১০ টাকা দিয়েছিল। জানতে চাইলে ইউপি চেয়ারম্যান বিপদ ভঞ্জন পাঁড়ে বিষয়টা মিটে গেছে বলে জানান।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।