ঢাকাTuesday , 29 October 2019
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

সুদের বোঝা টানতে না পেরে শিক্ষকের আত্মহত্যা

admin ঢাকা
আপডেট: 29 October 2019, 22:21

পাইকগাছা প্রতিনিধি: পাইকগাছায় স্কুল শিক্ষক তারকের পর এবার সুদের বোঝা টানতে না পেরে স্কুল শিক্ষক নীল কোমল ঢালী গলায় রশি দিয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নিলেন। সে লস্কর ইউপির পূর্বখড়িয়ার আদর্শ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক এবং স্থানীয় মৃত. ললিত মোহন ঢালীর একমাত্র ছেলে। এ ঘটনায় থানা পুলিশেরর এসআই নাজমুল হুদা,ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা কেএম আরিফুজ্জামান তুহিন,বিভূতি ভূষণ সানা,স্নেহেন্দু বিকাশ,ইউপি সদস্য অরবিন্দ মন্ডল সহ দলীয় নেতৃবৃন্দ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। পারিবারিক সূত্র জানায় সোমবার রাত ১১টার দিকে পাশবতী একটি বাড়ির জ্ঞাতীভোজ অনুষ্ঠানের প্রস্ততি দেখে শিক্ষক নীল কোমল বাড়িতে আসে। এর পর বাড়ির ভিতর ঘের সংলগ্ন বেঞ্চে বসে সময় কাটিয়ে কোন এক সময় সে বেঞ্চ ঘেঁষা শিরিশ গাছে রশি দিয়ে ঝুলে পড়ে। মঙ্গলবার ভোর বেলায় নীলকোমলেরর মৃতদেহ ঝুলন্ত দেখে স্থানীয়রা থানা পুলিশ ও চেয়ারম্যান মেম্বরদের খবর দেয়। এদিকে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন এনজিও সহ গড়ইখালীর শাহাদৎ গাইন, ব্যবসায়ী মিন্টু,রশীদ ঢালী, নুর ইসলাম, অরবিন্দু, পটল, দিবস হালদার ও এলাকার বহু সুদে ব্যবসায়ীদের দেনার ভার ও গালিগালাজ ও সর্বশেষ উকিল নোটিস সহ্য না করতে পেরে নীল কোমল আত্মহত্যা পথ বেছে নিতে বাধ্য হয়। সূত্র জানায়,এলাকায় ভদ্র বেশি মানুষ অবৈধ সুদের ব্যবসা করে জায়গা-জমি লিখে নিচ্ছে এবং এরা এলাকা ধব্বংস করে ফেলছে।এ ঘটনায় সুদে মহাজনদের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে অধিকাংশ নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়। তবে কাপড় ব্যবসায়ী মিন্টু জানান, ২০১৮ সালে শিক্ষক নীল কোমল আমার কাছ থেকে ২ লাখ ৪৫ হাজার টাকা ধার নিয়েছিল। যা ইতোমধ্যে পরিশোধ হয়েছে। এদিকে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে সুরত হাল রিপোর্ট শেষে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে। অপরদিকে, পুলিশ পৌর সদরের ৬নং ওয়ার্ড হতে এক আইনজীবীর লাশ উদ্ধার করেছে। আইনজীবী ঢাকার গাজীপুরের মৃত মোহম্মদউল্লাহর পুত্র শাহজাহান ফারুক আহমেদ। তিনি কয়েক বছর পূর্বে খড়িয়া গ্রামের মিজানুর রহমানের মেয়ে আয়েশা খাতুনকে বিয়ে করে পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের আনোয়ার সরদারের বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করছিল। সোমবার গভীর রাতে স্ট্রোকে মারা গেছে বলে দ্বিতীয় স্ত্রী আয়েশা খাতুন দাবি করেন। অপরদিকে, আইনজীবীর বড় স্ত্রী লাইজু বেগম ও পুত্র ইমতিয়াজ হোসেন দাবী করেন তাকে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশ লাশ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *