ঢাকাMonday , 29 April 2019
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

মণিরামপুরে আটক গোপাল দাস পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু

admin ঢাকা
আপডেট: 29 April 2019, 20:41

মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি: মণিরামপুরে জমিজমা ও পৈত্রিক সেচ পাম্প (মোটর) নিয়ে বিরোধের জের ধরে শ্যালক যাদব সেনকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে আটক বোনজামাই গোপাল চন্দ্র দাসের (৭৭) পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু হয়েছে। গোপাল দাসের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার মেয়ে সুমিত্রা দাস। রোববার (২৮ এপ্রিল) সকালে নিহত হন যাদব সেন এবং এ ঘটনায় আটক গোপাল চন্দ্র দাসের মৃত্যু হয় সন্ধ্যার পর। নিহত চিরকুমার যাদব সেন উপজেলার তারুয়াপাড়া গ্রামের মৃত সুরেন সেনের ছেলে এবং পুলিশ হেফাজতে আটক মৃত গোপাল চন্দ্র দাস একই গ্রামের মৃত যতিন্দ্র নাথ দাসের ছেলে। নিহতের সেজ ভাই মাধব সেন জানান, রোববার সকালে পূর্ব বিরোধের জের ধরে উপজেলার প্রতাপকাটি গ্রামের ডুমোরবিল নামক স্থানে যাদব সেনের উপর লাঠি সোঠা নিয়ে হামলা করে মেঝ ভাই মদন সেন, ভাগ্নে সুবাস দাস ও কানাই দাস। এতে ঘটনাস্থলেই যাদব সেন মারা যান। এ ঘটনায় পুলিশ নিহত যাদব সেনের বোনজামাই গোপাল দাসকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। মনিরামপুর থানার ওসি (তদন্ত) এসএম এনামুল হক, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিহতের লাশ উদ্ধারসহ ঘটনার সাথে জড়িত নিহতের বোনজামাই গোপাল দাসকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়। এদিকে পুলিশের এই কর্মকর্তা গোপাল দাস হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা গেছেন দাবি করে জানান, নিহত যাদবের ভাই মাধব সেন বাদি হয়ে গোপাল দাসকে ১ নং আসামি করে অপর ভাই মদন দাস ও গোপাল দাসের ৩ ছেলে উত্তম দাস, কানাই দাস, সুভাষ দাসসহ ৬ জনের নামে মামলা করে। যার মামলা নং -২৫। আটক গোপাল দাস বিকেলে অসুস্থ হয়ে পড়লে মনিরামপুর থানার পুলিশ সন্ধ্যা ৬.২১ মিনিটে তাকে যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করে। এরপরই গোপাল দাসের মৃত্যু হয়। এদিকে যাদব সেনকে পিটিয়ে হত্যা করে তারই সহোদর মদন সেন বলে অভিযোগ উঠেছে এবং এর নেপথ্যে নেতৃত্ব দেন পুলিশ হেফাজতে মৃত গোপাল দাস। এসব অভিযোগ করেন নিহতের অপর ভাই মাধব সেন। মৃত গোপাল দাসের মেয়ে সুমিত্রা দাস ক্ষুব্ধ কন্ঠে বলেন, তার বাবা বয়োবৃদ্ধ হওয়ায় তাকে আটক না করতে পুলিশকে বার বার অনুরোধ করা হয়েছিলো। কিন্তু তাদের অনুরোধে কর্ণপাত না করেই বাবাকে ধরে নিয়ে যায় পুলিশ। তার অপর তিন ভাই হত্যা মামলার আসামি হওয়ায় তারাও বাড়ি-ঘর ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ায় কেউ বাবার খোঁজ নিতে পারেনি। তবে, কি কারণে তার বাবার মৃত্যু হয়েছে তা জানতে হাসপাতালে যেতে চাইলেও পুলিশ তাদের স্বজনদের বাঁধা দিয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *