ঢাকাThursday , 13 August 2020
  1. Mobile Phones
  2. Photography
  3. Video
  4. অনলাইন
  5. অপরাধ
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আশাশুনি
  8. ইসলাম
  9. উন্নয়ন
  10. উপকূল
  11. এক্সক্লুসিভ
  12. এনজিও
  13. কয়রা
  14. কলাম
  15. কলারোয়া

শ্যামনগরে রোগী ঠকানোর কারখানা রিডা প্রাইভেট হাসপাতাল : ভূয়া আল্ট্রাসনো রিপোর্টে নবজাতকসহ প্রসূতি মায়ের জীবন সংকটাপন্ন

admin ঢাকা
আপডেট: 13 August 2020, 21:32

নিজস্ব প্রতিনিধি : রিডা ক্লিনিকের ভুল রিপোর্টে নবজাতকসহ প্রসূতি মায়ের জীবন সংকটাপন্ন হয়ে পড়েছে। জরুরীভাবে তাদেরকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় সুবিচার প্রার্থনা করে প্রসূতির স্বামী উপজেলার জয়াখালী গ্রামের মাহাবুর রহমান মোল্যা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।

অভিযোগ কারি মাহাবুর বলেন, তার অন্তসত্বা স্ত্রী খাদিজা খাতুনকে নিয়ে তিনি গত ৫ আগষ্ট দুপুরে শ্যামনগরের রিডা প্রাইভেট হাসপাতাল আল্ট্রাসনো করানোর জন্য নিয়ে যান। রিডা ক্লিনিকে কর্তৃপক্ষ তার স্ত্রীকে হাসপাতালে ভর্তি করে নিয়ে আল্ট্রাসনো করেন। পরে হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার (?) সনোলজিষ্ট (আল্ট্রা) ডা: কানিজ ফাতিমা বলেন, বাচ্চার ওজন ৩ কেজি ৪৪ গ্রাম। রোগীর অবস্থা খুবই খারাপ। জরুরী ভাবে সিজার করে বাচ্চা বের করতে হবে। এসময় তাকে বিভিন্ন প্রকার ভয় ভীতিও দেখানো হয়। সিজার করতে মোটা অংকের টাকা দাবি করায় তিনি শ্যামনগর হাসপাতালে নিয়ে যান। তারা প্রসুতিকে সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন।

সদর হাসপাতালে যাওয়ার পথে খাদিজা খাতুন অসুস্থ হয়ে পড়লে দ্রুত তাকে কালিগঞ্জের একটি ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তারা রিডা প্রাইভেট হাসপাতালের রিপোর্ট অনুযায়ী সিজার করেন। সিজার করার পর দেখা যায় নব জাতকের ওজন মাত্র ১ কেজি ৮০০ গ্রাম। বাচ্চার চোখও ফোটেনি। সেখানে প্রসূতিসহ নবজাতকের অবস্থা খারাপের দিকে গড়ালে জরুরীভাবে তাদেরকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তারা সেখানে লাইফ সাপোর্টে আছে। রিডা হাসাপালের দেয়া ভ‚য়া রিপোর্ট অনুযায়ী সিজার করায় তার হয়রানি ও আর্থিক ক্ষয় ক্ষতি হয়েছে। তিনি মানুষ ঠকানোসহ ভ‚য়া চিকিৎসার কারখানা হিসাবে খ্যাত রিডা প্রাইভেট হাসপাতালের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন করেন।

এবিষয়ে জানতে চাইলে রিডা প্রাইভেট হাসপাতালের নির্বাহী পরিচালক জিএম আব্দুল্যা আল মামুন টেলিফোনে বলেন, ডাক্তার কানিজ ফাতিমা বিসিএস না হলেও তিনি এমবিবিএস। তিনি তার হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার হিসাবে কর্মরত। মানুষ ভুলের উর্ধ্বে নয়। আল্ট্রাসনো রিপোর্ট ভ‚ল হতেও পারে। অভিযোগ কারী বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ না করে তার কাছে গেলে বিষয়টি সমাধান হয়ে যেত। তিনি অভিযোগকারী মাহাবুর রহমানকে তার কাছে যাওয়ার জন্য বলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *