Site icon suprovatsatkhira.com

নকিপুর কাঁচা বাজারের জায়গা ডিসিআর দেয়ার ঘটনা সরেজমিনে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা সদরের নকিপুর তোয়া বাজারটিতে বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণের ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে জেলা প্রশাসক। সম্প্রতি স্থানীয় ভূমি অফিস থেকে অস্থায়ী ডিসিআর নিয়ে খোলা বাজারটিতে এক শ্রেণির স্বার্থান্বেষী মহল ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের উচ্ছেদ করে পাঁকা স্থাপনা নির্মাণ করলে এলাকাবাসীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। শ্যামনগর উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ’র বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠে। ফলে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে স্থাপনা নির্মাণ কাজ বন্ধ হয়ে যায়। ব্যবসায়ীদের আন্দোলনের মুখে শনিবার বিকেলে সরেজমিন তদন্ত যান সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. তানজিল্লুর রহমান। এ সময় পাঁচ শতাধিক ব্যবসায়ী ও বাজারের ক্রেতারা স্থাপনা নির্মাণ বন্ধ ও ডিসিআর বাতিল এবং পাকা স্থাপনা অপসারনের জন্য তাদের বিভিন্ন দাবির বিষয়টি তুলে ধরেন।

নকিপুর তোয়া বাজার রক্ষা আন্দোলন কমিটির প্রধান উপদেষ্টা স.ম মাহবুব এলাহী জানান, দেশ স্বাধীনের পর থেকে বাজারটিতে এলাকার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। এলাকার হাজার হাজার মানুষ এই কাঁচা বাজার থেকে দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ক্রয় বিক্রয় করে থাকেন। উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ মোটা অংকের ঘুষের বিনিময়ে এখানকার একটি প্রভাবশালীমহলকে ইজারা দিয়ে পাঁকা স্থাপনা নির্মাণের সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়ে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের উচ্ছেদ করেছেন। বিষয়টি নিয়ে হাইকোর্টে চলা একটি রিটের অপব্যাখ্যা করে সাইনবোর্ড ঝুঁলিয়ে দিয়ে তিনি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের উচ্ছেদ করতে মুখ্য ভুমিকা পালন করেছেন বলে অভিযোগ তোলেন। তিনি বাজারের ইজারা বাতিলসহ নির্মিত পাঁকা স্থাপনা অপসারণ করে উন্মুক্ত করে দেওয়ার দাবি জানান।

সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. তানজিল্লুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, এবিষয়ে আমি এখনই কোন মন্তব্য করতে চাই না। কেননা একটি মন্তব্য করলেই সেটির বিভিন্ন ব্যাখ্যা করবেন উভয় পক্ষ।
শ্যামনগর উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ্ বলেন, ব্যবসায়ীরা যে অভিযোগ দিচ্ছে সেটি সঠিক নয়। ২০১৬ সাল থেকে ইজারাদারগণের আবেদনের প্রেক্ষিতে ৭৯ জনকে জায়গাটি অস্থায়ী ডিসিআর প্রদান করা হয়েছে। আমার নামে একটি সাইনবোর্ড কে বা কারা ঝুঁলিয়ে রেখেছিল। সেটি জানা মাত্রই অপসারণ করা হয়েছে। ঘুষ নেওয়ার অভিযোগও সঠিক নয়।

https://www.facebook.com/dailysuprovatsatkhira/
Exit mobile version